যাপিত জীবন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
যাপিত জীবন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

টোটকা

রোগ হলে ঔষধ গিলতে হয়, কে না জানে! আমিও জানি।

শরীরের রোগ হলে যেমন পথ্য লাগে, মনের রোগ হলেও লাগে? আচ্ছা, যদি মনের রোগ না হয়ে যদি মন খারাপ হয়? মন খারাপ কী রোগ? না! তবে একটুতেই মন খারাপ করা রোগের প্রাথমিক লক্ষণ হলেও হতে পারে! (একটু মানে কী?) একটা সময়ের কথা মনে পড়ে, তখন কোন মানুষের মন খারাপ হলে আমাকে ফোন দিত- আমি কিভাবে যেন হাসিয়ে ফেলতাম! আমার নিজের মন খারাপ হলে ঘরের কোণে তখনও অহেতুক চুপ - কিংবা রাস্তায় অপরিচিত লোকের মাঝে হাঁটা! কিন্তু, খুব কম সময়ই অন্য কেউ এটাকে ঠিক করতে পেরেছে...

মজার ব্যাপার হলো, অন্য কারো কারণে মন খারাপ হলে সেটার মধ্যে রাগ ও ক্ষোভ থাকে অনেক! সেই রাগ ও ক্ষোভ দূর করলেই মন খারাপ কমে আসতে পারতো! - শুধু পারতো বললে ভুল হবে- মন খারাপ কমতে বাধ্য!
সেই কারণে মন খারাপ দূর করবার গোপন টোটকা তো আমি জানিই! কিন্তু কোন মানুষের সঙ্গে সেটা শেয়ার করলে কার্যকারিতা, তা চলে যেতে পারে!
তবে কেন সেটা ব্যাবহার করছিনা? আমার মন কেন খারাপ হলে ভালো করছিনা?

এই ইচ্ছাটা আনার টোটকাই বোধহয় আগে লাগবে!

পৃথিবীটা জ্ঞানী জ্ঞানী লোকজন দিয়ে ভর্তি! 

শুক্রবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

দি চকোলেট টুইস্ট -১

বেশ ভালো একটা বেতনের লোভ ছেড়ে সরকারী চাকরীতে যোগদান করতে হচ্ছে। বিসিএস -এর এখনও একটু আধটু সম্মান আছে বলেই হয়তো। সরকারী চাকরীতে বেতন কম!
লোকের মত... ও ঘুষ খাবেন, বেতনের দরকার কী?
তাই বলি, দেখি যেয়ে কী হয়, তারপরে "দেখবোনে।"

তবে চকোলেট টুইস্টটা কোথায়?
এসএমএস পাওয়ার পর যখন শুনলে সরকারী চাকরীতে মাত্র ১৮০০০ হাজার টাকার বেতন, তখন?
-সে তো ভুল বলেনি!
-আর আমি জানি, সেই বেতন ওভারকাম করার ক্ষমতা আছে তোমার ও দোয়াও করি যাতে তা থাকে।

মাত্র ১৮০০০ হাজার টাকায় চলতে না পারলে বা নিজের অন্য কাজ করে চলতে পারলে... যেটাই হোকনা কেন? দুইটা কথার যেকোন একটা তো ফলবেই! আমি ঠিক একটা মনোবৃত্তি গজাবেই! এভাবেই।

একদম সহি!
মিস্টি মুখে তাই চকোলেট টুইস্ট!

বুধবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১১

এপিটাফের সাধ

বিখ্যাত-টিখ্যাত মানুষেরা ম্যালা সাধ আল্লাদ পূরণ করতে পারে।
নিজের এপিটাফ খানাও আগে থেকে স্বর্ণ খঁচিত কর্তে পারে!

কওন যায়না, ভাগ্যের ফেরে বিখ্যাত হইতেও পারি!
এপিটাফে লিখুম

"জনৈক আরাফাত- যে ভালো মানুষ হতে চেয়েছিলো!"

যদিও দিল্লী বহুদূর!

সোমবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০১১

দু'টি অণু ভাবনা ২৪০১১১

১.
"কিছু কিছু মানুষের মনস্তাত্বিক পরিপক্কতায় সত্যিকারের হিংসে বোধ করি। যেন তারা আগেই একটা খসড়া জীবন কাটিয়ে এসেছে! আর এখন যেন ফাইনাল পরীক্ষায় পূর্ণ প্রস্তুত।"
২.
"নদীর এপার কহে ছাড়িয়া নিঃশ্বাস
ওপারেতে সর্বসুখ আমারো বিশ্বাস।
নদীর ওপার বসি দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে
কহে, যাহা সুখ কিছু সকলই ওপারে।"

...পারাপার না করিয়া নদীর মাঝে চরে দাঁড়াইয়া থাকা মধ্যপন্থা হিসাবে খারাপ নয় বলিয়া বোধ হয়। চর না থাকিলে পানিতেই ডুব!

মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০১১

অহেতুক ভাবনা

রোকেয়ার সাথে
----------------
বেগম রোকেয়াকে ভাবি। পড়ি তার জীবনী ও লেখনী। যতই পড়ি আর ভাবি, মনে হয় জনাব সাখাওয়াত হোসেনের কনিষ্ঠাঙ্গুলের সমকক্ষ হবার যোগ্যতাও হয়তো রাখিনা। একটা 'আলো'কে ধারণ করতে 'আলোদানী'র সক্ষমতার অবদান ভুললে চলবে কী করে?

ফাঁকা-তে
---------
বাসটা যখন ভরে আসে, অনেক দূর পথ ধরে- লাইনে টিকিট কেটে দাঁড়িয়ে থাকা আমাদের চোখগুলো চাতকের চোখ হয়ে উঠে। দরজা দিয়ে যখন আমাদের ঢুকিয়ে দেয়া হয়, কিছু তারপরও রয়ে যায় বাইরে। আমিও থাকি। পিছনের দিকে দাঁড়িয়ে থাকা অ-ঘনসন্নিবিষ্ট দু'জনের মাঝে আমার চোখ নিজেকে খুঁজে পায়- কল্পনায়। বাস্তবে পরের বাসের জন্য অপেক্ষামাত্র।

ছাইলন
-------
যে কর্মজীবী মেয়েটা মাথায় করে ছাই বিক্রি করে- তাকে আমি চিনিনা, খেয়াল করে দেখিনিও। বেশ চিক্ষ্ণস্বরে ছাই বিক্রি করে। আমার কাছে জনৈক ফেরিওয়ালা বই সে অন্য কিছু নয়। পাশের বাড়ির শিশুটি যেন দেবশিশু- শব্দ শিখেছে অনেক, কথা শেখেনি। কোলে, পিঠে এবং অবশেষে কাঁধে নিলেই অদ্ভুত স্বরে নকল করে - ছাইলন! ফেরিওয়ালার ছাই আমার বাসনের ময়লা কাটায় না, কিন্তু দেবশিশুর হাস্যরসও কেন মনের ময়লা কাটায় না?

শুক্রবার, ৭ জানুয়ারি, ২০১১

জুমা শেষে

প্রত্যেক জুমা'র নামাজের শেষে মোনাজাতে আমার একটা অদ্ভুত অনুভূতি হয়।

সবাই হাত তুলে জগতের সব নিপীড়িত মানুষ বিশেষত মুসলিমদের জন্য দু'আ করি। নিজেদের ভালোর জন্য দু'আ করি। অনেক নির্দিষ্ট দু'আও করি। কিন্তু, আসলে দেখা যায় কিছুই হয়না।

ইমামের সুরে একটাও কি মুমিন মুসলমানও 'আমীন' বলেনা? মুমিনের দু'আ নাকি কবুল হয়! নাকি এই দু'আ জমা থাকে সৃষ্টিকর্তার ব্যাঙ্কে- যেখান থেকে পরে সুদে-আসলে ফেরত দেয়া হবে?

কি জানি- কঠিন অসুখে আমার পা কেটে ফেলতে হবে- এমন অবস্থায় যে টাকার দরকার। পরে পা কেটে ফেলার পর মহামূল্যবান পেডিকিউর ক্রিমের টাকা পেলে কি হবে?

শাস্ত্রে বলে, তোমাদের জন্য কি মঙ্গল, আর কি অমঙ্গল, তা তোমা অপেক্ষা সৃষ্টিকর্তাই ভালো জানেন।

আমার বিপথে যাওয়াতে কি মঙ্গল নিহিত?

রবিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০১০

সেই ডিসেম্বর, এই ডিসেম্বর

সময় কতই না দ্রুত কাটে।

বুড়োদের মুখেও শুনি, এইতো সেদিনের কথা, তোর জন্ম হলো! আমার জন্ম কি আজ হয়েছে? কেটে গেছে বছর ত্রিশের কাছাকাছি কোন একটা সময়। এক এক দুই তিন চার পাঁচ - এভাবে তিনশো পয়ষট্টিও বেশ কবার ঘুরে এসেছে। তবে এবারের মত নয়।

হাড় কাপানো শীতে, এই ডিসেম্বর- ২০১০।
গত ডিসেম্বর ২০০৯? কতটুকুই বা পার্থক্য? অনেক। অনেক বেশি। যেন মেরু থেকে মেরুতে। অবশ্য দু'জায়গাতেই শীত। যেই তিমির সেই তিমির। শুধু বেড়েছে- যাতনা, বিষাদ।

" নেভার রিয়েলাইজড বিফোর দ্যাট, আই অ্যাম সো ফিবল অ্যাট এভরিথিং।"

মঙ্গলবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০১০

শুক্রবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১০

সুখের লটারি

কাল বিকেলে হঠাৎ করেই সুমন-চু এর সঙ্গে দেখা। চু- নামটা কিভাবে এলো জানিনা, তবে আন্দাজ করা যায়- ভালো কিছু থেকে না হয়তো। কারও দিনই ভালো যাচ্ছেনা। ও বাইরে যাবে পি-আর নিয়ে।

সুখ বিষয়ে ওর একটা কথা ভালো লেগে গেলো। প্রতিটা মানুষই জীবনের সুখের লটারি পায় একবার করে। কেউ সেই সুখটা ক্রমে ক্রমে খরচ করে শেষ করে ফেলে। আর বুদ্ধিমানেরা সেই সুখ আবার ইনভেস্ট  করে, নতুন সুখের আশায়!

আসলেই, সুখকে একটা গন্তব্য ভাবার চাইতে ভ্রমণ ভাবাটাই শ্রেয়তর।

মঙ্গলবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১০

পাঠ

১.
অদ্বৈত মল্লবর্মন 'তিতাস একটি নদীর নাম'- উপন্যাসটি লিখেছিলেন। তিনি মৃত্যুর পর বিখ্যাত হয়েছিলেন।
২.
তিনি অনেক বই কিনতেন। যা রোজগার করতেন তার প্রায় সবই বই কিনে-পড়ে চলে যেতো।
৩.
তিনি নিদারুণ অর্থকষ্টে দিন কাটিয়েছেন। এভাবেই মরেছেন।
৪.
তার সময়ে ইন্টারনেট ছিলোনা। 'পাঠ' করতে অনেক কসরত করতে হতো।
৫.
কোথাও দু'টো লাইন দেখতে পড়ে ফেলতে ইচ্ছে করে। যেকোন বিষয়, সর্বভূকের মত।
৬.
লিখতে ইচ্ছে করেনা। পাঠের দায় এড়ানোর চেষ্টা।
৭.
আমি অদ্বৈত মল্লবর্মন নই। আমি তো আমিই।

সোমবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১০

ভালো থাকা।


কেউ যখন জিজ্ঞাসা করে, কেমন আছেন- তখন বড্ড বিপদে পড়ে যাই। এ প্রশ্নের সঠিক জবাবটা কি হতে পারে, সেটা কখনই ভেবে বের করতে পারিনা। কিংবা, অনেকে আরো স্পেসিফিক হয়ে পড়ে, ভালো আছো? তখন, ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ বলতেই হয়- কাটিয়ে যাওয়া যায়না। ‘না’- বলা যায়না। তাহলে কেন ‘না’, সেটার জন্য দস্তুরমত ট্রাইবুনালে পড়তে হয়। হ্যাঁ বলাটা তখন একরকমের মিথ্যে বৈকি!

প্রশ্নগুলো আসে অবধারিতভাবে। ভালো নাই কেন? আদৌ ভালো কি থাকতে চাই? 

কি জানি। আমার এই খারাপ থাকাটাই বোধহয় আমার ভালো থাকা।
সূদীর্ঘকালের খারাপ থাকাটাকেই ভালো লাগে হয়তো। আটপৌরে অভ্যাস!

শনিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০১০

হাত কাটার মুহুর্তপর

মাত্র হাত কেটে গেলো। আরও ভালো করে বললে, বাম হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলে। এক কোণায়। এক ফিনকি রক্তও পড়েছে। অবাক হয় তাকিয়ে রইলাম সেই ফোটাটার দিকে। অদ্ভুত লাল। এমন লাল? এমন তো নয়, আমি কাজ করি বাইরে, মাঠে ঘাটে। কিংবা রাস্তায়। কিংবা, কায়িক শ্রমের অন্য কোন সম্মানজনক পেশায়।

আমার কাজ দস্তুর মত মাছি মারা কেরানীর মত।

হাত কেটেছে অফসেট কাগজের কোণে লেগে। কাগজ এত শক্ত নাকি আমার ত্বক এত নরম?

দুপুর ৩:২০
১৩-১১-২০১০
বনানী 

বুধবার, ২৭ অক্টোবর, ২০১০

টুকরো পথে

১.
সামাজিক মানুষ হিসাবে নিজেকে দাবী করিনা। বরং, 'অসামাজিক' হিসাবেই 'গর্ববোধ' করি। তাই মেহমান হিসাবে কারো বাড়ি যাওয়া হয় কালেভদ্রে।

হাইপোথিসিস

অনলাইন বিনোদনের অন্যতম প্রধান অংশ ফেসবুকে বন্ধুদের স্ট্যাটাস বা অ্যাক্টিভিটিতে কমেন্ট করা। সেখানে প্রতি-কমেন্ট থাকে। কথার পিঠে কথা সাজানো। মজার অথচ খোঁচানো কমেন্টেই ঝোঁক বেশি আমার।  হয়তো বন্ধু এতে সামান্য রুষ্ট হয়, তবে মনে হয় বেশিরভাগই জিনিষটাকে ফান হিসাবেই দেখে। না হলে তো ডিলিট হতাম বহু আগেই! অবশ্য হয়েছিও দুয়েকবার।

মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর, ২০১০

রাত

অনেক দিন পরে একটা রাত কাটছে। যেটাতে ভালো লাগছে। সারাদিন অনেক ধকল গেছে। ২৯ তম বিসিএস এর ভাইভা ছিলো। পারিনি। সত্যিই পারিনি কিছুই। ভাইভাতে সব পারতে নেই। জানি। তারপরও মনে হচ্ছিলো পারবো। আগের রাতে এটা নিয়ে ভেবেছি অনেক, পড়িনি তেমন কিছুই এ'কদিনে অবশ্য।

মঙ্গলবার, ৫ অক্টোবর, ২০১০

আত্মহত্যা।

১।শুনি, পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় আত্মহত্যা করেছিলেন। আমি তার জীবনী বা মরণী কোনটা-ই পড়িনি। মূল ঘটনা তা না-ও হতে পারে। ইচ্ছে করলে অন্য ট্যাবে গিয়ে গুগলে খুঁজে নেয়া যায়। কিন্তু, সেটা করতেও ইচ্ছে করছে না। তিনি, আত্মহত্যা করেছিলেন, এটা ভাবলে তেমন আর ক্ষতিবৃদ্ধি নেই। আরও শুনি, মনে অনেক দুঃখ ছিলো তার। অনেক দুঃখ। কী এত দুঃখ? বাংলা গানে এত সুন্দর সুন্দর সব গীতি দিয়েছেন তিনি। সুন্দরের পুজারী। "তোমার চুল বাঁধা দেখতে দেখতে ভাঙলো কাঁচের আয়না"- ধরণের। তিনি কেন আত্মহত্যা করেছিলেন? তার সেরা সময় ফেলে এসেও তিনি চমৎকার সব গান উপহার দিচ্ছিলেন। কিন্তু সহপথিক-রা দিচ্ছিলেন না। বাংলা গানের এই অবনমনই তার আত্মহত্যার প্রধান কারণ।

২। শারীরিক আত্মহত্যা করলে মানসিক আত্মহত্যা এমনিই ঘটে।

৩। তবে শুধু মানসিক আত্মহত্যা সম্ভব কিনা? অবশ্যই সম্ভব। নিজের অন্তরের ভেতরটাকে বাইরের সবকিছু থেকে দূরে রাখাই একধরণের মানসিক আত্মহত্যা।

৪। কবি নজরুল এর শারীরিক বিয়োগ হয়েছে বেশ পরে। তার আগেই জটিল ব্যাধিতে তার মানসিক মৃত্যু ঘটে প্রায় চল্লিশ বছর বয়সে। এর পরেও বহুকাল তিনি চলৎ-হীন বেঁচে ছিলেন? সন্দেহ হয়, ব্যাপারটার শুরুতে তার নিজস্ব সম্মতি থাকতেও পারে! পৃথিবীতে শারীরিক আত্মহত্যাকে সবচেয়ে ঘৃণিত কাজ বলে গণ্য করা হয়। কারণ, সেটা একবার 'ঘটে' গেলে, সেখান থেকে ফিরে ক্ষমা চাওয়ার সুযোগ ঘটেনা। নজরুল কি মানসিক আত্মহত্যাই করেছিলেন, ফলে তিনি ফিরতে পারেন নি?

৫। অল্প বিদ্যা ভয়ংকর। - আপ্তবাক্য।

(প্রাইমারি ড্রাফট- সময় সুযোগে পরিবর্ধিত, পরিমার্জিত বা সম্পূর্ণ পরিবর্তিতও হতে পারে! )

রবিবার, ৩ অক্টোবর, ২০১০

"কেউ ভোলেনা না, কেউ ভোলে"

কেউ ভোলেনা, কেউ ভোলে।
অতীত দিনের স্মৃতি
কেউ ভোলেনা না, কেউ ভোলে।
কেউ দুঃখ লয়ে কাঁদে, কেউ ভুলিতে গায় গীতি।

সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১০

“তবুও জানি প্রিয় একদা নিশিথে, মনে পড়ে যাবে আমারে চকিতে।


ভুল করে যদি ভালোবেসে থাকি
ক্ষমিয় সে অপরাধ
অসহায় মনে কেন জেগেছিলো
ভালোবাসিবার সাধ।

শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১০

অমুক বাবু এবং সাদা/কালো

অমুক বাবু বাজারে চললেন
বহুদিনের সঙ্গী থলি হাতে ঝোলালেন।

শেষের দিকে পকেট টান
বড্ড ভোগায় মাসটি
এ মাস তো আরও মধুর
আজ জামাই ষষ্টি

২৫ সেপ্টেম্বর ২০১০

ড্রাফট ১:

আজ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১০।
বিশ বছর আগের এই দিনটা অন্যরকম হলে, আজকের এই শনিবারটাও অন্যরকম হতে পারতো।
হতে পারতো আনন্দময় একটা সন্ধ্যা। যেটা এখন ঢাকা নিজস্ব বিষাদে।