সমকালীন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সমকালীন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ১০ জুলাই, ২০১০

ঠিক কোথায় গিয়ে থামতে হবে?

ঠিক কোথায় গিয়ে থামতে হবে? ভাবনাটা ভুঁইফোড় না। অনেক দিনের। এমন তো না যে, সাফল্য যথেচ্ছ ধরা দিয়েছে জীবনে। বরং মাপতে গেলে ব্যর্থতার পাল্লা-ই নেমে যাবে সমান্তরাল রেখা থেকে। তবুও ভাবি, ঠিক কোথায় গিয়ে থামতে হবে?

থামাটা কী জরুরী? গতিশীলতাই নাকি জীবন? থেমে থাকা নাকি অথর্বতা।

মুজতবা আলী’র সুইস নয়রাট সাহেব স্ত্রীকে নিয়ে কাটিয়ে দিয়েছেন তার সময়, খেলায়-হেলাফেলায়। বয়স মধ্য চল্লিশ পার হবার পর। তার আগে গুছিয়ে নিয়েছিলেন অর্থনৈতিক প্রয়োজনের একটা সাবধানী সঞ্চয়। বাকি জীবনটা সুন্দরভাবে তারিয়ে উপভোগের জন্য। লোভ জাগে এমন জীবনের।

ঢাকা শহরটা ছুটছে। দিনে ও রাতে। দিন ও রাতের সঙ্গম সময়েও। গভীর রাতেও বিরাম নেই। ভুতো গলিরাস্তার রাত্রি জাগা একলা আমিও, ঘরের মধ্যে থেকেও বাইরের ছুটন্ত যানবাহনের শব্দে টের পাই ছুটে চলার তাৎপর্য। ভাবি আবার।

ঠিক কোথায় গিয়ে থামতে হবে?

দৌড়ুচ্ছি। গতির হিসাব মিলাচ্ছি অন্যদের দেখে। পিছিয়ে পড়ার ভয় প্রতিনিয়ত। আবার তাল হারিয়ে ঝিমিয়ে পড়বার অভিজ্ঞতাও আছে। আবার আলো দেখে উঠেছি। গড়বার আদর্শ বয়স এখন। সেটিও পার হয়ে যায় যায়। সামনে এখন অনেক পথ। একেকটা একেক রঙ্গের। পথের শেষগুলো আন্দাজ করতে পারি, নিশ্চিত হতে পারিনা। তাই ভয় লাগে।

ব্যক্তিগত জীবনেও কোথায় থামতে হবে? বর্তমান সময়ের প্রিয়জনদের সরব উপস্থিতি, অনুভূতির অনন্ত ভাষান্তর। আবার, ভবিষ্যতে নতুন প্রিয়জনদের জন্য প্রস্তুতি। তাদের যত্ন। কতদূর- কী করতে হবে? নানী’র মা বেঁচে আছেন। তাকে দেখেও ভাবি, তিনি থেমেছেন নাকি থামিয়ে দেয়া হয়েছে দৈবপাকে, অদৈবেও?

থামতে কি হবেই? কোথায় থামতে হবে তাহলে? এই থামাটা ইচ্ছের নাকি দৈবের?

সোমবার, ২৮ জুন, ২০১০

ধন্যবাদ

হরতাল প্রত্যাখ্যান করায় জনগণকে ধন্যবাদ- সরকারী দল

অথবা

হরতাল সফল করায় জনগণকে ধন্যবাদ- বিরোধী দল

অথবা

প্রদত্ত বাঁশ বুঝিয়া পাওয়ায় সরকারী ও বিরোধী দল উভয়কেই ধন্যবাদ - জনগণ


----

২৭ জুন হরতাল।

বৃহস্পতিবার, ২৭ মে, ২০১০

Freedom of speech বা একটি কৌতুক

When u attack Black people, they call it racism.
When u attack Jewish people, they call it anti-semetism.
When u attack women, they call it sexism.
When u attack homosexuality, they call it intolerance.
When u attack a religious sect, they call it hate.

But when u attack the Prophet SAWS)
they call it freedom of speech!

What a joke!

---------------

ফেসবুকে বন্ধুদের স্ট্যাটাস মেসেজে এই কথাগুলো দেখছি আজ। কয়েকদিন আগে এক বন্ধুর স্ট্যাটাসে লেখা ছিলো, 'ড্র মুহাম্মাদ ডে' এক ফেসবুকের অ্যাকটিভ গ্রুপের কথা। তার আক্ষেপ ছিলো, ফেসবুক থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে মৌন প্রতিবাদ করবে কিনা। পাকিস্তানী গর্দভদের মত 'জানালা বন্ধ করে ভ্রমটারে রুখি' টাইপের এর নয়। যারা ফেসবুক আর ইউটিউবই বন্ধ করে দিয়েছে, শুনি মিডিয়ায়।

গ্রুপটাতে ঢুকেছিলাম, 'ফ্রিডম অব স্পিচের' ধূঁয়া তুলে যা- তা বলার প্রতিযোগিতা!

আজ দেখা এই স্ট্যাটাস মেসেজটা তাই ভবিষ্যতে এই সব অযৌক্তিক আক্রমণ সামালের জন্য তুলে রাখলাম!

বৃহস্পতিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১০

আসুন সপ্তাহে দিনের নামগুলোও পরিবর্তন করে ফেলি!

নামকরণ নিয়ে যে খেলা চলছে তা নিয়ে আর না বলি। সব্বাই জানে। মাশা-আল্লাহ। এই সরকার যদি আগামী বার না আসে, তাহলে আবার সবকিছু আবার পরিবর্তন হবে। আসলে একই থাকবে। কিন্তু একসময় পরিবর্তন হবেই। এটাকেই বোধহয় গতিশীলতা বলে। শুধু আমরা ম্যাঙ্গো-পিপল কামড়াকামড়ি করেই কাটাবো। সময় হলেই আবার সব ভুলে যাবো। সাধু!


আসুন সপ্তাহে দিনের নামগুলোও পরিবর্তন করে ফেলি!

রবিবার মুজিব বার
সোমবার জিয়া বার
মঙ্গলবার হাসিনা বার
বুধবার খালেদা বার
বৃহস্পতিবার জয় বার
শুক্রবার তারেক বার
শনিবার শনিবার-ই থাকলো। জনগণের কপালে শনিবহাল থাকলো!

----------------------------------------------------------------------------

সরকার নাম পরিবর্তন করে দেশের উন্নতি সাধন করছে!